তৌফিকুল ইসলাম পল্লব, বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি:
নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা উপজেলার তমালতলা মহাশ্মশানে এক গৃহবধূর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘সৎকারে বাধা’ সংক্রান্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে তমালতলা মহাশ্মশান কমিটি।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) কমিটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ৩ মে বাগাতিপাড়া গ্রামের শ্রী সুজিত সরকারের স্ত্রী রাখি সরকারের মরদেহ সৎকারে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হয়নি। বরং মহাশ্মশানের শৃঙ্খলা ও প্রচলিত নিয়ম বজায় রেখে নির্ধারিত স্থানে সৎকার সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট পরিবারকে অনুরোধ করা হয়েছিল।
কমিটির আরও বলেন, পরিবারটি নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করে নিজেদের পছন্দমতো স্থানে কবর খননের চেষ্টা করলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়।
কমিটির অভিযোগ, কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালিয়ে কমিটির সভাপতি-সম্পাদকসহ সদস্যদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন। এতে স্থানীয় হিন্দু সমাজেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এছাড়াও তমালতলা মহাশ্মশান প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে বাগাতিপাড়া এলাকার সর্বস্তরের মানুষের অবদান রয়েছে। ভবিষ্যতেও সবার সহযোগিতায় এটি পরিচালিত হবে। তবে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলা সকলের জন্য বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়।

এ ধরনের ‘ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার’ তীব্র নিন্দা জানিয়ে কমিটির পক্ষ থেকে সকলকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধান করে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, তমালতলা মহাশ্মশান কমিটির সভাপতি মনতোষ কুমার সরকার , সেক্রেটারী কমল চন্দ্র সরকার, কোষাধ্যক্ষ গৌড় চন্দ্র সরকার, সদস্য বিশ্বনাথ কুন্ড, বিরেন্দ্রনাথ সরকার, অবোধ কুমার সুত্রধর, নিরোদ চন্দ্র সুত্রধর নিবিড় চন্দ্র সুত্রধর, সুমন চন্দ্র সরকার, নাড্ডু চন্দ্র সুত্রধর, নব কুমার কর্মকার, বিরেন্দ্রনাত প্রমুখ।
