মোঃ রায়হান আলী নওগাঁ :
নওগাঁর মান্দায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানহানি কর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাহমুদুল হাসান নামে এক ভুক্তভোগী। আজ রোববার (৪ মে) দুপুরে উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের কাচারি পাড়া আদর্শ বালিকা মাদ্রাসায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কাচারীপাড়া আদর্শ বালিকা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মুফতি মাহমুদুল হাসান অভিযোগ করে বলেন, বিটিবি নিউজ এর সম্পাদক পরিচয় দানকারী স্থানীয় আব্দুল বারী খান গত ১২ই জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে কুলিহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তাঁর সভাপতিত্বে একটি ইসলামিক মাহফিল আয়োজন করেন। উক্ত মাহফিলে তিনি একক সিদ্ধান্তে সালাফি মাযহাবের অনুসারী পাঁচ জন আলেমকে বক্তা হিসেবে দাওয়াত করেন। উক্ত মাহফিলকে কেন্দ্র করে আমি সহ স্থানীয় বেশ কিছু আলেম আব্দুল বারীর সঙ্গে আলোচনা করে তাকে বলা হয় যে এই এলাকা যেহেতু হানাফি মাযহাব অনুসারী সংখ্যা বেশি তাই যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে পারে অতএব উভয় মাযহাবের বক্তা দিয়ে ইসলামী মাহফিল করলে কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু আব্দুল বারী তার কথায় অনড় অবস্থান থাকেন। এ সময় আব্দুল বারী বলেন আমি কারো কথা শুনবো না আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ওসি, ডিসি, সকলের কাছে অনুমতি নিয়েছি আমি আমার মতেই ইসলামী মাহফিল করব। কিন্তু আমরা পরবর্তীতে খবর নিয়ে জেনেছি তিনি কোথাও কোন লিখিত অনুমতি দেননি। এই কথা কাটাকাটির জের ধরেই আব্দুল বারী আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তিকর অসত্য মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করে সামাজিকভাবে হেও প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয় তিনি আমাকে নারী কেলেঙ্কারি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশেরও হুমকি প্রদান করেন। আমি এই মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে তদন্ত করে সত্য বিষয়টি উদঘাটন করার দাবি জানাচ্ছি। অসত্য সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে জানতে চাইলে, সাংবাদিক আব্দুল বারী খান বলেন, আমি এখন ব্যস্ত আছি নামাজে যাব, পরবর্তী সুবিধাজনক সময়ে এ বিষয়ের উপর আমি মন্তব্য করব বলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমানহাফেজ মো: মুনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নওগাঁ জেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক, মুফতি মো: ইসরাফিল আলম, আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আ: আজিজ, মাওলানা নজরুল ইসলাম, হাফেজ আশিকুর রহমান, রেজাউল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, আবুল হোসেন, সোহাগ প্রমুখ। এ সময় বক্তারা হুঁশিয়ারি উল্লেখ করে বলেন যারা একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন উদ্দেশ্য প্রণীত প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
